৪২ হাজার শূন্যপদে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

দেশের বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য সামনে এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ৪২ হাজার শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

Sep 29, 2026 - 01:18
 0  6
৪২ হাজার শূন্যপদে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
৪২ হাজার শূন্যপদে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

দেশের বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য সামনে এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ৪২ হাজার শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এসব শূন্যপদের বিপরীতে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে পছন্দের প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষক পারিবারিক, ব্যক্তিগত বা অন্যান্য যৌক্তিক কারণে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে চান, তাঁদের জন্য এই উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সফটওয়্যারভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

তবে আবেদন করার আগে বিজ্ঞপ্তির মূল কপি থেকে শূন্যপদের সংখ্যা, আবেদনের সময়সীমা, যোগ্যতা এবং জমা দেওয়ার নিয়ম যাচাই করা জরুরি। কারণ বদলি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হলে আবেদন গ্রহণ বা বিবেচনার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বদলি বিজ্ঞপ্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এক নজরে দেখে নিন।

বিষয় বিস্তারিত
বিজ্ঞপ্তির বিষয় এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি
সম্ভাব্য শূন্যপদ প্রায় ৪২ হাজার
আবেদন পদ্ধতি ম্যানুয়াল বা হার্ডকপি
শূন্যপদের তালিকা প্রতিষ্ঠান ও পদভিত্তিক
পছন্দের প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫টি
আবেদন জমা নির্ধারিত আবেদনপত্র ও কাগজপত্রসহ
আবেদন গ্রহণের কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

আবেদনের সময়সীমা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: সরবরাহ করা বিজ্ঞপ্তির বিবরণ অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণের তারিখ ছিল ৩০ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বর্তমানে এই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে। তাই নতুন করে আবেদন গ্রহণ, সময় বাড়ানো কিংবা পরবর্তী কোনো নির্দেশনা প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম কেন চালু করা হয়েছে?

একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার কারণে অনেক শিক্ষককে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কারও স্থায়ী ঠিকানা কর্মস্থল থেকে অনেক দূরে, আবার কারও স্বামী বা স্ত্রী অন্য জেলা কিংবা উপজেলায় চাকরি করেন। এ ছাড়া পারিবারিক দায়িত্ব ও যাতায়াতের অসুবিধাও অনেক সময় শিক্ষকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

এ ধরনের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দেওয়া হলে তাঁরা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী কর্মস্থল নির্বাচনের আবেদন করতে পারেন। তবে আবেদন করলেই বদলি নিশ্চিত হবে, এমন নয়। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা, শূন্যপদের প্রাপ্যতা, আবেদনকারীর যোগ্যতা এবং কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬-এর ৩.১৯ ধারা অনুসরণ করে জনস্বার্থে অন্তর্বর্তীকালীন বদলি কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির আবেদন করার নিয়ম

বদলির জন্য আবেদন করতে আগ্রহী শিক্ষকদের প্রথমেই সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা ভালোভাবে পড়তে হবে। আবেদনপত্র পূরণ থেকে শুরু করে কাগজপত্র সংযুক্ত করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা জরুরি।

১. শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ ও যাচাই

প্রথমে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করুন। তালিকায় নিজের বিষয়, পদ, জেলা, উপজেলা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম মিলিয়ে দেখুন। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক পদের শূন্যপদ থাকতে পারে। তাই শুধু প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের পদ ও বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শূন্যপদটি যাচাই করুন।

প্রায় ৪২ হাজার শূন্যপদের তালিকা বড় হওয়ায় প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান খুঁজে পেতে সময় লাগতে পারে। এ জন্য জেলা ও উপজেলাভিত্তিক তথ্য আলাদা করে রাখলে পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা সহজ হবে।

২. পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন

প্রদত্ত বিবরণ অনুযায়ী, আবেদনপত্রে সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রম অনুসারে উল্লেখ করার সুযোগ রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তালিকা তৈরি করুন।

প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সময় নিজের স্থায়ী ঠিকানা, পরিবারের অবস্থান, যাতায়াতের সুবিধা এবং সংশ্লিষ্ট পদে শূন্যপদের তথ্য বিবেচনা করুন। পছন্দক্রম এমনভাবে নির্ধারণ করুন, যাতে প্রতিটি বিকল্প আপনার জন্য বাস্তবসম্মত হয়।

মনে রাখবেন, পাঁচটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করলেই সেগুলোর যেকোনো একটিতে বদলি নিশ্চিত হবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ম ও যাচাই-বাছাইয়ের ওপর নির্ভর করবে।

৩. নির্ধারিত ছকে আবেদনপত্র পূরণ

বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে দেওয়া নির্ধারিত আবেদন ফরম ব্যবহার করতে হবে। আবেদনপত্রে নিজের নাম, ইনডেক্স নম্বর, বর্তমান পদ, বিষয়, বর্তমান কর্মস্থল, যোগদানের তারিখ এবং পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য সঠিকভাবে লিখুন।

এ ছাড়া স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্থায়ী ঠিকানার দূরত্ব এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের তথ্য উল্লেখ করতে হতে পারে।

আবেদনপত্রে কোনো তথ্য অস্পষ্ট রাখা উচিত নয়। বিশেষ করে ইনডেক্স নম্বর, প্রতিষ্ঠানের এমপিও নম্বর ও যোগদানের তারিখ সংশ্লিষ্ট নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা

আবেদনপত্র পূরণ করার পর বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া কাগজপত্র সংযুক্ত করুন। প্রতিটি কাগজের ফটোকপি যেন পরিষ্কার ও সহজে পড়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। কোনো নথি সত্যায়িত করা বাধ্যতামূলক হলে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী সত্যায়িত কপি জমা দিন।

৫. নির্ধারিত ঠিকানায় আবেদন জমা

সম্পূর্ণ আবেদনপত্র ও সংযুক্তি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত কর্তৃপক্ষের কাছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। আবেদন সরাসরি, ডাকযোগে অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে জমা দেওয়ার নির্দেশনা থাকলে সেটি মূল বিজ্ঞপ্তি থেকে নিশ্চিত করুন।

আবেদন জমা দেওয়ার পর নিজের কাছে আবেদনপত্রের একটি কপি এবং জমা দেওয়ার প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। ভবিষ্যতে আবেদন সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে হলে এগুলো কাজে লাগবে।

বদলি আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন

সরবরাহ করা বিজ্ঞপ্তির বিবরণ অনুযায়ী, আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

প্রয়োজনীয় নথির তালিকা

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

২. স্বামী বা স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।

৩. বর্তমান পদের প্রথম এমপিওভুক্তির কপি।

৪. বর্তমান পদের সর্বশেষ প্রকাশিত এমপিও কপি।

৫. বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের সময়ের যোগদানপত্র।

৬. স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের প্রত্যয়নপত্র, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।

এখানে উল্লেখিত তালিকাটি সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। মূল বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত কোনো নথি, সত্যায়ন বা নির্দিষ্ট ফরম্যাটের শর্ত থাকলে সেটিও অনুসরণ করতে হবে।

আবেদনপত্রে যেসব তথ্য দিতে হবে

বদলির আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত পরিচয় থেকে শুরু করে বর্তমান কর্মস্থল এবং পছন্দের প্রতিষ্ঠানের তথ্য নির্ভুলভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন।

তথ্যের ধরন যে তথ্য দিতে হবে
ব্যক্তিগত পরিচয় পূর্ণ নাম ও ইনডেক্স নম্বর
স্থায়ী ঠিকানা সম্পূর্ণ স্থায়ী ঠিকানা
পদ ও বিষয় বর্তমান পদ, বিষয় ও যোগদানের তারিখ
বর্তমান কর্মস্থল মাদ্রাসার নাম, জেলা, উপজেলা ও এমপিও নম্বর
পছন্দের প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা
স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য কর্মস্থলের বিবরণ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
দূরত্ব বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্থায়ী ঠিকানার দূরত্ব
অতিরিক্ত তথ্য বদলির কারণ বা প্রাসঙ্গিক মন্তব্য

সব তথ্য পূরণ করার পর আবেদনপত্রটি আরেকবার যাচাই করুন। নামের বানান, প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি এবং নথিতে থাকা তথ্যের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য থাকলে তা সংশোধন করে নিন।

৪২ হাজার শূন্যপদের তালিকা থেকে পছন্দের মাদ্রাসা খুঁজবেন যেভাবে

শূন্যপদের তালিকা থেকে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার সময় কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনা করা উচিত।

প্রথমত, নিজের পদ ও বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শূন্যপদ আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন। দ্বিতীয়ত, প্রতিষ্ঠানের জেলা ও উপজেলা নিজের পছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। তৃতীয়ত, প্রতিষ্ঠানের নামের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিচিতি নম্বর থাকলে সেটিও যাচাই করুন।

একই নামের একাধিক প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে। তাই শুধু নাম দেখে আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন না করে তালিকায় থাকা পূর্ণ ঠিকানা ও অন্যান্য পরিচিতি মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

শূন্যপদের তালিকা থেকে নিজের পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা করে লিখে রাখলে আবেদনপত্র পূরণ করার সময় ভুলের আশঙ্কা কমে। তবে তালিকায় কোনো পদ খালি থাকার তথ্য থাকলেই সেখানে বদলি পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদনে যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

বদলি আবেদন করার সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণে আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন।

ভুল তথ্য প্রদান করবেন না: নাম, ইনডেক্স নম্বর, এমপিও নম্বর ও যোগদানের তারিখ সঠিকভাবে লিখুন।

অসম্পূর্ণ আবেদন জমা দেবেন না: নির্ধারিত ফরমের কোনো ঘর বাদ পড়েছে কি না, তা যাচাই করুন।

অস্পষ্ট কাগজপত্র সংযুক্ত করবেন না: ফটোকপিতে লেখা বা সিল যেন পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।

পছন্দের প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই না করে লিখবেন না: প্রতিষ্ঠান, পদ, জেলা ও উপজেলার নাম শূন্যপদের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা করবেন না: আবেদন গ্রহণের সময়সীমা কার্যকর থাকলে শেষ দিনের আগেই জমা দেওয়ার চেষ্টা করুন।

মূল বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা উপেক্ষা করবেন না: আবেদনপদ্ধতি, কাগজপত্র ও জমা দেওয়ার ঠিকানা সম্পর্কে চূড়ান্ত নির্দেশনা মূল বিজ্ঞপ্তি থেকেই অনুসরণ করুন।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ কোথায় দেখবেন?

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি বিজ্ঞপ্তি, শূন্যপদের তালিকা, আবেদন ফরম এবং পরবর্তী নির্দেশনা জানতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নোটিশ দেখুন।

সরকারি ওয়েবসাইট: https://dme.gov.bd/

ওয়েবসাইটের নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি বিভাগে সংশ্লিষ্ট বদলি বিজ্ঞপ্তির শিরোনাম খুঁজে দেখুন। সেখানে মূল বিজ্ঞপ্তি, সংযুক্ত শূন্যপদের তালিকা এবং আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়া গেলে সেগুলো ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।

কোনো সংবাদ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সরকারি বিজ্ঞপ্তির অমিল থাকলে সরকারি নির্দেশনাকেই প্রাধান্য দিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ২০২৬ সালে কতটি শূন্যপদে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে?

সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রায় ৪২ হাজার শূন্যপদের তালিকা প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। তবে সঠিক সংখ্যা ও পদভিত্তিক বিবরণ মূল সরকারি তালিকা থেকে যাচাই করা উচিত।

২. কারা এই বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন?

প্রদত্ত বিবরণ অনুযায়ী, বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য এই বদলি কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। তবে আবেদনকারীর নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্তাবলি জানতে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা এবং মূল বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে।

৩. একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ কয়টি মাদ্রাসা পছন্দ করতে পারবেন?

সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, আবেদনপত্রে পছন্দক্রম অনুসারে সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করা যাবে।

৪. বদলির আবেদন কি অনলাইনে করতে হবে?

প্রদত্ত বিবরণে সফটওয়্যারভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত ম্যানুয়াল বা হার্ডকপি পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তবে সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনপদ্ধতি নিশ্চিত করতে হবে।

৫. বদলির আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ কবে ছিল?

সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, আবেদনের শেষ সময় ছিল ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা। বর্তমানে তারিখটি পেরিয়ে গেছে। সময় বাড়ানো বা নতুন করে আবেদন গ্রহণের কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা সরকারি ওয়েবসাইটে যাচাই করুন।

৬. আবেদন করলেই কি পছন্দের প্রতিষ্ঠানে বদলি হওয়া যাবে?

না। আবেদন করলেই বদলি নিশ্চিত হয় না। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা, শূন্যপদের প্রাপ্যতা, আবেদনকারীর যোগ্যতা এবং কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

৭. স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের তথ্য কি দিতে হবে?

সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের তথ্য এবং কর্মস্থলের প্রত্যয়নপত্র চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মূল বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

শেষ কথা

৪২ হাজার শূন্যপদে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সংক্রান্ত তথ্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে আবেদন করার আগে শূন্যপদের সঠিক সংখ্যা, পদভিত্তিক তালিকা, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম যাচাই করা জরুরি।

সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ৩০ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। যেহেতু সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, তাই নতুন কোনো বিজ্ঞপ্তি, সময় বৃদ্ধি বা পরবর্তী নির্দেশনা প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিন। সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করলেই বদলি সংক্রান্ত সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

What's Your Reaction?

Like Like 1
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0
Bikrom Hi, I am Bikrom. I am a Student and Article Writter.